পার্বত্য জনপদ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির এক সফল অভিযানে পাচারকারীদের বড় ধরনের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে গেছে। শনিবার ভোরে উপজেলার সোনাইছড়ি সীমান্তের গহীন এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের জন্য প্রস্তুত রাখা ৩৯৫ লিটার অকটেন এবং ২৪ বস্তা সার জব্দ করেছে বিজিবি ১১ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি গোপন আস্তানায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করা হয়েছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে নামে বিজিবির একটি বিশেষ দল। বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ৩-৪ জন পাচারকারী দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ড্রামভর্তি ৩৯৫ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সকালে সীমান্তের সোনাইছড়ি টাইম বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঝুপড়ি ঘরে হানা দেয় বিজিবি। সেখান থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ২০ বস্তা ইউরিয়া এবং ৪ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মালামাল সরকারি সম্পদ পাচার প্রতিরোধের অংশ হিসেবে বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবির জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান ও কালোবাজারি দমনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত পথে রাষ্ট্রীয় সম্পদ পাচার রোধে আমাদের এই অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। দেশ ও জনগণের নিরাপত্তায় বিজিবি সবসময় অতন্দ্র প্রহরী।’
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
পার্বত্য জনপদ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির এক সফল অভিযানে পাচারকারীদের বড় ধরনের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে গেছে। শনিবার ভোরে উপজেলার সোনাইছড়ি সীমান্তের গহীন এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের জন্য প্রস্তুত রাখা ৩৯৫ লিটার অকটেন এবং ২৪ বস্তা সার জব্দ করেছে বিজিবি ১১ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি গোপন আস্তানায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করা হয়েছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে নামে বিজিবির একটি বিশেষ দল। বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ৩-৪ জন পাচারকারী দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ড্রামভর্তি ৩৯৫ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সকালে সীমান্তের সোনাইছড়ি টাইম বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঝুপড়ি ঘরে হানা দেয় বিজিবি। সেখান থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ২০ বস্তা ইউরিয়া এবং ৪ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মালামাল সরকারি সম্পদ পাচার প্রতিরোধের অংশ হিসেবে বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবির জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান ও কালোবাজারি দমনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত পথে রাষ্ট্রীয় সম্পদ পাচার রোধে আমাদের এই অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। দেশ ও জনগণের নিরাপত্তায় বিজিবি সবসময় অতন্দ্র প্রহরী।’
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন