পরিবেশ কণ্ঠ

আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার; ফিরছে ঐতিহাসিক কর্মসূচি

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: পানিসম্পদ মন্ত্রীর বড় ঘোষণা



খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: পানিসম্পদ মন্ত্রীর বড় ঘোষণা
সংগৃহীত

দেশের পানিসম্পদ রক্ষায় এবং কৃষি বিপ্লবের পথ প্রশস্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধভাবে খাল দখলকারীদের প্রতি সরাসরি ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জনস্বার্থে শুরু হওয়া খাল খনন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির সামান্যতম ঠাঁই হবে না।

স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকার খাল খনন কর্মসূচিকে নতুন করে উজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার সেই যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক উদ্যোগকে পাথেয় করে আগামী পাঁচ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সারাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুন:খনন করা হবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, খালগুলো দখলমুক্ত করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে বাংলাদেশের কৃষিখাতে আমূল পরিবর্তন আসবে। গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টিকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে তিনি দেশবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা কামনা করেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : খাল খনন কর্মসূচি

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: পানিসম্পদ মন্ত্রীর বড় ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের পানিসম্পদ রক্ষায় এবং কৃষি বিপ্লবের পথ প্রশস্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধভাবে খাল দখলকারীদের প্রতি সরাসরি ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জনস্বার্থে শুরু হওয়া খাল খনন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির সামান্যতম ঠাঁই হবে না।

স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকার খাল খনন কর্মসূচিকে নতুন করে উজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার সেই যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক উদ্যোগকে পাথেয় করে আগামী পাঁচ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সারাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুন:খনন করা হবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, খালগুলো দখলমুক্ত করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে বাংলাদেশের কৃষিখাতে আমূল পরিবর্তন আসবে। গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টিকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে তিনি দেশবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা কামনা করেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ