বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও সশরীরে মিলিয়ে (ব্লেন্ডেড) ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এক দিন অনলাইন ক্লাস হলে পরদিন সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো সশরীরেই নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
এর আগে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে, সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
সম্প্রতি পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় বিকল্প শিক্ষাপদ্ধতি চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির সময় দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান চালু করা হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনলাইন শিক্ষার কার্যকারিতা সীমিত। তবুও বর্তমান বাস্তবতায় আংশিক বিকল্প হিসেবে ব্লেন্ডেড পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প না থাকলেও জরুরি পরিস্থিতিতে এমন সমন্বিত পদ্ধতি শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখতে সহায়ক হতে পারে।
পরি-কণ্ঠ/মুয়াজ

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও সশরীরে মিলিয়ে (ব্লেন্ডেড) ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এক দিন অনলাইন ক্লাস হলে পরদিন সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো সশরীরেই নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
এর আগে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে, সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
সম্প্রতি পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় বিকল্প শিক্ষাপদ্ধতি চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির সময় দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান চালু করা হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনলাইন শিক্ষার কার্যকারিতা সীমিত। তবুও বর্তমান বাস্তবতায় আংশিক বিকল্প হিসেবে ব্লেন্ডেড পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প না থাকলেও জরুরি পরিস্থিতিতে এমন সমন্বিত পদ্ধতি শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখতে সহায়ক হতে পারে।
পরি-কণ্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন