বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন সময়সূচি চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের ক্লাসের মধ্যে তিন দিন সরাসরি (অফলাইন) এবং বাকি তিন দিন অনলাইন মাধ্যমে পাঠদান পরিচালিত হতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতির চাপ কমাতে ‘অল্টারনেট ডে’ পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও মতামত উঠে আসে। উপস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা এ প্রস্তাবে সম্মতি জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাঠদান করতে হতে পারে। এতে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকট—বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষত বড় শহরগুলোতে যাতায়াতে জ্বালানি ব্যবহার কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হতে পারে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানা গেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন সময়সূচি চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের ক্লাসের মধ্যে তিন দিন সরাসরি (অফলাইন) এবং বাকি তিন দিন অনলাইন মাধ্যমে পাঠদান পরিচালিত হতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতির চাপ কমাতে ‘অল্টারনেট ডে’ পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও মতামত উঠে আসে। উপস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা এ প্রস্তাবে সম্মতি জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাঠদান করতে হতে পারে। এতে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকট—বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষত বড় শহরগুলোতে যাতায়াতে জ্বালানি ব্যবহার কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হতে পারে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানা গেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন