পরিবেশ কণ্ঠ

অতিরিক্ত গরমে বাড়ছে অসুস্থতা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিটস্ট্রোক



তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিটস্ট্রোক

দেশে চলমান তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গরমজনিত অসুস্থতা নিয়ে রোগীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণশ্রমিক, রিকশাচালক, দিনমজুর ও খোলা আকাশের নিচে কাজ করা মানুষ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘসময় সরাসরি রোদে থাকা, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম হিটস্ট্রোকের প্রধান কারণ। শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে প্রভাব পড়ে। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমিভাব, অতিরিক্ত ঘাম বা হঠাৎ ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠাণ্ডা স্থানে নিয়ে যেতে হবে, শরীরে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া জরুরি। অবহেলা করলে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হতে পারে।

প্রতিরোধে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান, ডাবের পানি বা লবণ-চিনি মিশ্রিত স্যালাইন গ্রহণ, হালকা ও ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরা এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সচেতনতা ও সামান্য সতর্কতাই পারে তীব্র গরমে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে।

Tag/Topic: হিটস্ট্রোক, তাপপ্রবাহ, গরমে স্বাস্থ্যঝুঁকি

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬


তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিটস্ট্রোক

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশে চলমান তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গরমজনিত অসুস্থতা নিয়ে রোগীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণশ্রমিক, রিকশাচালক, দিনমজুর ও খোলা আকাশের নিচে কাজ করা মানুষ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘসময় সরাসরি রোদে থাকা, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম হিটস্ট্রোকের প্রধান কারণ। শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে প্রভাব পড়ে। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমিভাব, অতিরিক্ত ঘাম বা হঠাৎ ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠাণ্ডা স্থানে নিয়ে যেতে হবে, শরীরে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া জরুরি। অবহেলা করলে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হতে পারে।

প্রতিরোধে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান, ডাবের পানি বা লবণ-চিনি মিশ্রিত স্যালাইন গ্রহণ, হালকা ও ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরা এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সচেতনতা ও সামান্য সতর্কতাই পারে তীব্র গরমে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে।

Tag/Topic: হিটস্ট্রোক, তাপপ্রবাহ, গরমে স্বাস্থ্যঝুঁকি

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ