প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারে ১১ জেলের কারাদণ্ড
||
পদ্মা-মেঘনা নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর নৌ সীমানায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহারকারী ১১ জন জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নৌ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তিনটি নৌকা এবং প্রায় দুই হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের চলমান কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান চলাকালে জব্দকৃত জালগুলো ধ্বংস করা হয়েছে এবং নৌকাগুলো নৌ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ১১ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাতজনকে এক মাসের এবং বাকি চারজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে বলে জানা গেছে।চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম এবং জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হকসহ নৌ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী এলাকায় মৎস্য শিকারিদের সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।নদীতে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সরকার সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নদীকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের জেলহাজতে প্রেরণের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের জেলেদের মধ্যে আইন অমান্য না করার একটি কঠোর বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ