প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এআই ও ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ নিয়ে ৮ম জাতীয় এইচআর কনভেনশন ২৮ নভেম্বর
||
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ৮ম জাতীয় এইচআর কনভেনশন-২০২৬। ‘
‘হিউম্যান ক্যাপিটাল এন্ড এআই: রি-স্কিলিং ফর দ্যা ফিউচার’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ ফেডারেশন অব হিউম্যান রিসোর্সেস অর্গানাইজেশন (এফবিএইচআরও) এ কনভেনশনের আয়োজন করছে।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কনভেনশনের বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে কর্মক্ষেত্রের ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কর্মীদের নতুন দক্ষতায় দক্ষ করে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য রি-স্কিলিং ও আপ-স্কিলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এফবিএইচআরও এর প্রেসিডেন্ট ড. মোশাররফ হোসেন।
হোটেল শেরাটনে আয়োজিত হতে যাওয়া এই কনভেনশনে আন্তর্জাতিক অতিথি হিসেবে ভারতের বিশিষ্ট মানবসম্পদ পেশাজীবী ড. টি. ভি. রাও এবং শ্রীলঙ্কার ড. অজন্তা ধরমাশ্রী কনভেনশনে অংশ নেবেন। এ ছাড়া দেশি-বিদেশি মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নিয়ে এআই, অটোমেশন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।
এফবিএইচআরও এর পরিচালক ও কনভেনশন চেয়ার কামরুজ্জামান সবুজ বলেন, গত বছরের কনভেনশনে ১ হাজারের বেশি মানবসম্পদ নিয়ে কাজ করা কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছিলেন। আশা করা যায় এবারও এ রকম উপস্থিতি পাব। গত বছর কনভেনশনের সাত দিন আগে রেজিস্ট্রেশন ক্লোজ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তখন মানুষের আগ্রহের কারণে আগেই কোটা পূরণ হয়ে গিয়েছিল। এতে বোঝা গেছে এসব কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ আছে।
তিনি বলেন, এআইনির্ভর পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রি-স্কিলিং ও আপ-স্কিলিংয়ের মাধ্যমে কর্মীদের পরিবর্তিত কর্মপরিবেশের জন্য প্রস্তুত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা ও সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
এফবিএইচআরও এর প্রেসিডেন্ট ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, পৃথিবীতে ৫০ হাজার এআই টুলস হয়ে গেছে। আমি মাসিক টাকা দিয়ে নিজে ৩টি এআই ইউজ করি। এআই আপনার সহযোগী, এটাকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এআই আসার কারণে মানুষ চাকরি হারাতে পারে। তাই আমরা এআই ব্যবহার করে যাতে প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে পাড়ি সে লক্ষ্যে আগাতে চাই।
তিনি আরও বলেন, এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। গত বছর আমরা কনভেনশন করে এক টাকাও প্রফিট করিনি। এটা মূলত প্রফিটের জন্য না। মূলত মানবসম্পদ কর্মকর্তাদের মান উন্নয়নে আমরা কাজ করি।
সংবাদ সম্মেলনে এফবিএইচআরওর ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী ও মহাসচিব অধ্যাপক মঈনুদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ