প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফিফাকে ২৬ হাজার কোটি টাকা দিতে চিঠি, বাংলাদেশ পাচ্ছে কত
||
বিশ্বকাপ ফুটবলের আংশিক মালিকানা ঘোষণার পর থেকে বেশ চাপেই আছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নানারকম সমালোচনা, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ তো রয়েছেই। ফিফা প্রেসিডেন্টকেও দেওয়া হচ্ছে একের পর এক চিঠি। এবার বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছে।
উয়েফা এবং কনকাকাফ ফিফাকে নিজের তহবিল থেকে ২১১ কোটি ডলার দিতে চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ২৫৯২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ফিফার ২১১ সদস্যের সবাই ১ কোটি ডলার করে পাচ্ছে। তাদের মধ্যে আছে বাংলাদেশও। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) তহবিলে জমা পড়তে যাচ্ছে ১২৩ কোটি টাকা। বিবিসি স্পোর্টস গত রাতে উয়েফা-কনকাকাফের যৌথ চিঠি হাতে পেয়েছে। সেই চিঠিতে উয়েফা প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার সেফারিন এবং কনকাকাফ প্রেসিডেন্ট ভিক্টর মন্তালিয়ানির স্বাক্ষর রয়েছে।
যৌথ চিঠিতে ২০২৭-২০৩০ চক্রের হিসাবে অর্থ বণ্টনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী এই চক্রে (২০২৭-২০৩০) ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে কমপক্ষে ১ কোটি ডলার করে দেওয়া উচিত। এই অর্থ ফুটবলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে।
উয়েফা-কনকাকাফের চিঠিতে বর্তমান চক্র শেষে ফিফার কাছে কী পরিমাণ অর্থ থাকতে পারে, সেই ধারণা দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে ২০২৩-২০২৬ এই চার বছরে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার তহবিলে জমা পড়তে পারে ৬০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৭৩৭০৬ কোটি টাকা। ২০৩০ সালের ছেলেদের বিশ্বকাপ পর্যন্ত হিসাব করলে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি।
জুলাইয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষে ফিফা সভাপতি এফএফইর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২০ শতাংশ মালিকানা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সমালোচনার মুখে সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে একবার ক্ষমাও চেয়েছিলেন। তবু কোনো লাভ হয়নি। ফিফার অনেক সদস্য সংস্থা তার ওপর থেকে সমর্থন তো প্রত্যাহার করেছেই, এমনকি অনেকে তার পদত্যাগ দাবি করেছে। উয়েফা-কনকাকাফ-এএফসি যৌথ চিঠিতে এক সময় দাবি করেছিল যে ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।
ইনফান্তিনো আগামী মার্চে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে লড়বেন। তবে সেই নির্বাচনের আগে বেশ চাপেই আছেন তিনি। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ফিফা সভাপতির পদে আছেন ইনফান্তিনো।
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ