প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৪টি বোয়িং ও নতুন এয়ারবাস কেনার ঘোষণা
||
দেশের বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের বিশাল পরিকল্পনা; সাথে থাকছে ময়মনসিংহের সমন্বিত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অঙ্গীকার।বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে এক উচ্চাভিলাষী মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বহরে ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। সোমবার ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের এক বিশেষ সমন্বয় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন। মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আকাশপথের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রতি বিশ্ব নেতাদের আগ্রহ বাড়ছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিশেষ আহ্বানে সাড়া দিয়ে বোয়িং বিমানগুলো সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং নয়, বরং ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও জার্মানিতে তৈরি অত্যাধুনিক এয়ারবাসও বাংলাদেশের আকাশে ডানা মেলবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বাংলাদেশের আধিপত্য বাড়ানো এবং যাত্রীদের আধুনিক সেবা প্রদান করা। সভায় মন্ত্রী তার বক্তব্যের বড় একটি অংশ বরাদ্দ করেন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের উদাহরণ টেনে তিনি উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, জনগণের আস্থার মর্যাদা দিতে না পারলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। ময়মনসিংহের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী তার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত দুই দশকে এই অঞ্চলের যে উন্নয়ন থমকে ছিল, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা পুষিয়ে নেওয়া হবে। নগর পরিকল্পনা থেকে শুরু করে মাদক নির্মূল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি—সবক্ষেত্রেই একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ও জাকির হোসেনসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা মন্ত্রীর এই উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। তারা মনে করেন, আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার এই আমূল পরিবর্তন এবং স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে। পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ