প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ
||
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের পরিসংখ্যান ও বিস্তারিত ফলাফল বিশ্লেষণ।সারাদেশের মতো অত্যন্ত উৎসবমুখর ও উৎকণ্ঠার আবহে প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। আজ সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল ঘোষণা করেন। এবারের ফলাফলে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মোট ৭৪১টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ অর্জন জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে। তথ্যমতে, এ বছর মাদ্রাসা বোর্ড থেকে মোট ৬ হাজার ১৭৬ জন শিক্ষার্থী পূর্ণ জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। পাসের হার ও মেধার এই চিত্র মাদ্রাসা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।সামগ্রিক পরীক্ষার চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সম্মিলিতভাবে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অংশ ছিল।সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণার সময় শিক্ষামন্ত্রী কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং যারা অকৃতকার্য হয়েছে তাদের ধৈর্য ধরে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতারুজ্জামান জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়াও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে মাদ্রাসা শিক্ষার এই ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ