প্রিন্ট এর তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
সিলেটে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জনের মৃত্যু
||
ওসমানীনগরে ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনা, নিহতদের মধ্যে শিশুসহ একই পরিবারের সদস্য থাকার আশঙ্কা।সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার ভোরের এই মর্মান্তিক ঘটনাটি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১৩ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন নামক স্থানে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি তীব্র সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের প্রচণ্ডতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সাতজন যাত্রী নিথর হয়ে যান। পরবর্তীতে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত দুইজনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন সিলেট মহানগরীর সোবহানীঘাট এলাকার উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২২) এবং ঢাকার বিক্রমপুর এলাকার জাহাঙ্গীর শেখের তিন বছর বয়সী শিশু কন্যা জাইফা। বাকি সাতজনের পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় জনতা উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা এসে হতাহতদের উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আনিসুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মহাসড়কে বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে দুর্ঘটনা কবলিত বাসগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর আর্তনাদে হাসপাতালের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও মহাসড়কে নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এল। পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ