প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর
||
দীর্ঘ দুই দশক পর প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসী ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্দীপনা; ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেবেন বিশ্বমঞ্চে।আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে বিশ্ব কূটনীতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে এক নতুন জাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারি ও রাজনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্যমতে, এই সফরটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ নয়, বরং সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের এক নতুন বার্তা বহন করবে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তার সফরের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্তটি আসবে ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে, যখন তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মূল মিলনায়তনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে তার বহুল প্রতীক্ষিত ভাষণ প্রদান করবেন। বিশ্লেষকরা এই মুহূর্তটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করছেন, কারণ এবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই দেশের সরকারপ্রধান যখন পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেবেন এবং সেই সভা পরিচালনা করবেন তাঁরই ক্যাবিনেটের পররাষ্ট্রমন্ত্রী—এমন দৃশ্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিরল এক কূটনৈতিক সাফল্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।সফরের সূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রবাসীদের দেওয়া এক বিশাল নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। এরপর তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে দুই দিনের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি সানফ্রান্সিসকো থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, সফরের বিস্তারিত শিডিউল চূড়ান্ত করার কাজ এখনও চলছে, তবে এর মধ্যেই বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য যে, ২০০৬ সালের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পাওয়ার আনন্দে উদ্বেলিত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করে পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের এই অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতৃত্বের এমন যুগলবন্দি আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর একযোগে বিশ্বসভার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান বাংলাদেশের বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণী সক্ষমতাকেই ত্বরান্বিত করবে।পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ