প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স ফিরে পেল, চলবে কার্যক্রম
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ঢাকা, ২৭ জুলাই:
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল
কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে
সরকার। কয়েকটি
শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত
২৭ মে ঢাকার বড়
মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে
ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা–সমালোচনার
মুখে ১১ জুন হাসপাতালটির
লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর। তবে
হাসপাতালটিকে সরকারের পক্ষ থেকে তিনটি
শর্ত দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য
ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সচিব
মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের
মাধ্যমে এ আদেশ জারি
করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য
অধিদফতরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে গত ১৯
জুলাই জারি করা এক
নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়ে গঠিত তদন্ত
কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে
প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।
ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন
সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত
শর্ত পূরণের ভিত্তিতে লাইসেন্স
বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে
হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা
বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর
সই এক স্মারক চিঠিতে
হাসপাতালটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি
দেওয়া হয়। তবে
ওই চিঠিতে তিনটি শর্তের
কথা বলা হয়েছে।
শর্তগুলো
হলো :
১.
‘দ্য মেডিক্যা ল প্র্যাকটিস অ্যান্ড
প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশনস) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’-এর নির্দেশনা
প্রতিপালন অব্যাহত রাখতে হবে;
২.
লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী ডিউটি
ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের
প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে
হবে;
৩.
লাইসেন্সের শর্তাবলি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার
কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময়
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ জুন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল
কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। তদন্ত
প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত
থেকে সরে এসে হাসপাতালটির
লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হলো।
নতুন এ সিদ্ধান্তের
ফলে হাসপাতালটির নিয়মিত কার্যক্রম ও
রোগী সেবা অব্যাহত থাকবে
বলে আশা করা যাচ্ছে।
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ