প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
||
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এটি আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে রয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে- ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজ একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা, যা রাজকীয় সৌদি সরকার এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যৌথ ব্যবস্থাপনায় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। হজ ব্যবস্থাপনায় ব্যয় দুটি অংশে নির্ধারিত হয়। প্রায় তিন চতুর্থাংশ খরচ সৌদি পর্বের, যা সৌদি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকে। এতে মিনা ও আরাফাতের তাঁবু ভাড়া, পরিবহন ভাড়া, মিনা, আরাফাত বা মুজদালিফায় সার্ভিস খরচ, মক্কা বা মদিনায় হোটেল ভাড়া, কুরবানি এবং ভিসা-ইন্সুরেন্স ফিসহ অন্যান্য ফি। অপরদিকে মাত্র এক চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশ অংশে হয়, যার মধ্যে মূলত বাংলাদেশ পর্বে বিমানে যাতায়াতের টিকেট বাবদ খরচ। আরও পড়ুনআরও পড়ুনজ্বালানি সরবরাহে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টায় আওয়ামী সিন্ডিকেট
তিনি বলেন, চলতি বছর কুরবানিসহ সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা। এর মধ্যে সৌদি আরব পর্বের ব্যয় ৩ লাখ ৭৯৭ টাকা। আর বাংলাদেশ পর্বের ব্যয় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। যার মধ্যে বিমান ভাড়া ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। ফলে চলতি বছর হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে। যার সুফল হজযাত্রীরা পেয়েছেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও সৌদি পর্বের ঘোষিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য আগামী বছরের হজ প্যাকেজ মূল্য কমানো অথবা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ