প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
টাকা দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব, আত্মহত্যার চেষ্টা কিশোরীর
||
নরসিংদীতে সালিশে টাকার বিনিময়ে ধর্ষণের অভিযোগ মীমাংসার প্রস্তাব ওঠায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে ১৭ বছরের এক কিশোরী। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে তরুণীকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে সে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও সভার, ফরিদপুর, পটুয়াখালী এবং চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার ৯টি ঘটনা ঘটেছে।
নরসিংদীর ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, এক মাস আগে ওই কিশোরীর পার্শ্ববর্তী শিবপুর উপজেলায় বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই প্রতিবেশী নাইম নামের এক যুবক তাকে বিয়ের আশ্বাস দিতে থাকে। নাইমের প্ররোচনায় কিশোরীটি তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাইম ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে কিশোরী ও তার পরিবার নাইমকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু নাইম বিয়ে করতে অস্বীকার করে।
এতে ভুক্তভোগী পরিবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বললে তারা নিরুপায় হয়ে সালিশে রাজি হয়। শুক্রবার বিকেলে সোনাতলা চকপাড়ায় চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল হক টিটু এবং বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খোকাসহ বেশ কয়েকজন নেতার উপস্থিতিতে সালিশ বসে। সালিশে উপস্থিত নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না করে উল্টো ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করার প্রস্তাব দেন। তবে ওই কিশোরী তা মেনে নিতে পারেনি। পরে সে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা আটকে গলায় ফাঁস নেয়।
ওই সময় পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর দ্রুত নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত নাইম একই এলাকার শফিকুলের ছেলে। সে পেশায় প্রাইভেটকারের চালক।
জেলা বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা বলেন, আমি অল্প সময়ের জন্য সালিশে গিয়েছিলাম। ছেলে ও মেয়ের কথা শুনে জরুরি কাজ থাকায় চলে এসেছি। পরে জানতে পেরেছি, সেখানে ১১ জনের একটি বোর্ড বসেছিল। আটজন বিয়ের পক্ষে ও তিনজন টাকা দিয়ে সমাধানের পক্ষে মতামত দেয়। এর মধ্যে কেউ টাকা দিয়ে সমাধানের বিষয়টি জানালে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
ধর্ষণ সালিশযোগ্য কিনা– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি উভয় পক্ষের অনুরোধে গিয়েছিলাম। সেখানে এলাকার অনেক মানুষ ছিল।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, ‘নাইম আমার মেয়ের সংসার ভেঙেছে। মানুষ নানা বাজে কথা বলায় আমার মেয়ে বাইরে বের হতে পারত না। আর সালিশে তারা বিয়ের কথা না বলে প্রথমে ২০ হাজার, ৩০ হাজার এবং পরে ৫০ হাজার টাকার প্রস্তাব দেয়। এই অপমান সইতে না পেরেই আমার মেয়ে ফাঁসের চেষ্টা করেছে। এখন সে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমি থানায় আগেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম; কিন্তু বিচার পাইনি।’ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এদিকে, সালিশে মো. ইউনুস নামে নরসিংদী মডেল থানার একজন এসআই উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চিনিশপুর ইউনিয়নের বিট অফিসার ইসহাক মিয়াও সালিশে এসআই ইউনুসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে অস্বীকার করে এসআই মো. ইউনুস বলেন, আমি ঘটনার খোঁজ-খবর নিয়েছি; কিন্তু সালিশে ছিলাম না।
নরসিংদী মডেল থানার ওসি এম আর আল মামুন দাবি করেন, সালিশে তাদের কোনো পুলিশ সদস্য ছিল না। তারা ঘটনাটির মৌখিক অভিযোগ পেলেও কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি।
নারায়ণগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি, আইসিইউতে ভর্তি
নারায়ণগঞ্জে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মনির হোসেন হিরু (২০) নামের এক যুবককে বেধড়ক গণপিটুনি দিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত ওই যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসক জানিয়েছেন, হিরুর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে চরম সংকটাপন্ন। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সোহেল (২১) নামের অপর এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী হিরু ও সোহেল নামের দুই মাদকাসক্ত যুবক তাঁর মেয়েকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে একটি নির্জন ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। ঘটনার পর লোকলজ্জা ও আতঙ্কে শিশুটির মা প্রথমে বিষয়টি কাউকে বুঝতে দেননি। কিন্তু রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটলে তাকে মুন্সীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে তাদের হেফাজতে নেয়।
এদিকে, ধর্ষণের খবরটি শনিবার সকালে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা অভিযুক্ত হিরু ও সোহেলের বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে হিরুকে তার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এনে বেধড়ক পিটুনি দেওয়া শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া অপর আসামি সোহেলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি।
টাঙ্গাইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, পরিবারকে হুমকি
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পাঁচ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিন্টু মিয়া উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের ডুবাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার আবদুর রহিমের ছেলে। এ ঘটনায় পাবনা থেকে এসে ওই এলাকায় ভাড়া থাকা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত শুক্রবার রাতে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেছেন।
তবে মামলা করার পর থেকে এলাকার যোবায়ের নামের এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশুটির বাবা জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটি মিন্টু মিয়ার দোকান থেকে চকলেট আনতে যায়। এ সময় মিন্টু প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দোকানের ভেতর নিয়ে নির্যাতন চালায়। বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মা খুঁজতে দোকানে গিয়ে শিশুকে বিবস্ত্র অবস্থায় কান্নাকাটি করতে দেখে। মিন্টুকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
দেলদুয়ার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
রাজধানীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত বাড়ির মালিক গ্রেপ্তার
রাজধানীর কলাবাগানে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আলমগীর হুদা রুবেল (৬৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর কলাবাগান থানার নর্থ সার্কুলার সড়কের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, শিশুটি নর্থ সার্কুলার রোডের একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বাস করে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাসার সামনে সে খেলছিল। এ সময় পাশের বাড়ির মালিক আলমগীর চকলেট দেওয়ার প্রলোভনে শিশুটিকে নিজের বাড়ির দোতলায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটি চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত আলমগীরকে মারধর করে পুলিশে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত আলমগীরের স্ত্রী-সন্তান না থাকায় ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে। বাড়িটি তাদের নিজেদের।
কলাবাগান থানার ওসি ফজলে আশিক সমকালকে বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কেরানীগঞ্জে চার বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টায় যুবক গ্রেপ্তার
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শাহপরান (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যা ব-১০। গতকাল দুপুরে উপজেলার ঝিলমিল চণ্ডীতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক শাহপরান পটুয়াখালী জেলার শেখহাটি এলাকার বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে একই বাড়িতে ভাড়া থাকত।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত যুবককে একটি শিশুসহ চণ্ডীতলার জঙ্গলে যেতে দেখে সন্দেহবশত পিছু নেন। পরে শিশুর চিৎকার শুনে মানুষ জড়ো হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দিলে র্যাখব সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে শিশুটিকে উদ্ধার এবং শাহপরানকে আটক করে।
র্যাব-১০-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার জানান, এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
সাভারে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
সাভারের কমলাপুর এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামানকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে দারুল কোরআন বাহারুন্নেছা কমলাপুর মহিলা মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার কুমারগাতা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে হেনস্তা করে আসছিল। গত শুক্রবার বিকেলে ক্লাসরুমের ভেতর ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক তার শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন।
সাভার মডেল থানার এসআই ইমরান হোসেন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সালথায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টা
ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি খায়ের দাঈ (৩৫) স্থানীয় বারাংকুলা গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় মুদি দোকানি।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, দুপুরে বাড়ির পাশে আম কুড়াতে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি রামদা দিয়ে শিশুটির মুখ চেপে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের বাগানে নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখে ফেলে খায়েরকে একটি ঘরে আটকে রাখলেও পরে সে কৌশলে পালিয়ে যায়।
সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমান খান বলেন, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রামে শিশু ও দুই বোনকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দুই আসামি কারাগারে
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও ও খুলশী এলাকায় শিশু ধর্ষণচেষ্টার পৃথক দুটি অভিযোগে এক মুদি দোকানি ও এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
চান্দগাঁও থানার সিঅ্যান্ডবি টেকবাজার এলাকার ইব্রাহিম কলোনি থেকে আশফাকুর রহমান (৫৫) নামের এক মুদি দোকানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১৫ মে রাতে চার বছরের এক শিশুকে নিজ দোকানের ভেতর নিয়ে সে যৌন নির্যাতন করে।
অন্যদিকে, খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় ১০ ও ৬ বছর বয়সী দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবদুল বাতেন নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রেললাইনের পাশের একটি মক্তবে এ দুই ছাত্রীর ওপর ধর্ষণচেষ্টা চালানো হয়।
কলাপাড়ায় পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি মো. রাব্বি (৩০) এবং তার দুই সহযোগী ইমন হাওলাদার ও রুবেল মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কলাপাড়া থানা পুলিশ ঢাকা ও চম্পাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করে। এর আগে গত ১৫ মে উত্তর পূর্ব চালিতাবুনিয়া গ্রামে ওই কলেজ শিক্ষার্থীর বসতঘরের সিঁদ কেটে ভেতরে ঢুকে আসামিরা ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। সুত্র: সমকাল
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ