প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বন কর্মকর্তাকে কুপিয়ে হরিণশিকারিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলেন সহযোগীরা
||
বাগেরহাটের শরণখোলায় বন কর্মকর্তাকে কুপিয়ে হরিণশিকারি কুদ্দুস রাজাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন তাঁর সহযোগীরা। আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাথরঘাটার চরদুয়ানী ইউনিয়নের কালিয়ারখাল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত বন কর্মকর্তা মো. আল জাবের বাদী হয়ে একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবেরের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা গতকাল বিকেলে সুন্দরবনের চরখালী বনাঞ্চলের শুয়োরগুদি এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন। তখন বনের মধ্যে হরিণশিকারিদের দেখতে পান তাঁরা। বনরক্ষীদের দেখে শিকারিরা ঘটনাস্থলের কাছে থাকা তাঁদের ট্রলারে উঠে লোকালয়ের দিকে পালাতে চেষ্টা করেন। বনরক্ষীরাও ট্রলার নিয়ে তাঁদের ধাওয়া করেন। শিকারিরা লোকালয়ের কালিয়ারখাল এলাকায় উঠে গেলে বনরক্ষীরা ওই এলাকার চিহ্নিত হরিণশিকারি কুদ্দুস রাজাকে আটক করতে সক্ষম হন। আটক শিকারিকে নিয়ে আসার সময় তাঁর সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বনরক্ষীদের ওপর হামলা করেন। এতে চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবের ও বন বিভাগের নৌকাচালক অপূর্ব কুমার সাহা আহত হন। জাবেরের হাত কেটে যায়। একপর্যায়ে শিকারি কুদ্দুস রাজাকে ছিনিয়ে নেন হামলাকারীরা। গতকাল রাতে আহত আল জাবেরকে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন শরণখোলা স্টেশনে রয়েছেন।
এসিএফ শরীফুল ইসলাম আরও বলেন, মামলা হয়েছে। হামলাকারী ও হরিণশিকারিরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে। যে এলাকায় শিকারিরা ছিলেন, ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, বনরক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০২৬ পরিবেশ কন্ঠ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত