প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের নতুন রূপরেখা
||
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রবিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় লন্ডনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের এই মতবিনিময় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।বৈঠকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনার প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন। দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কীভাবে আরও বহুমাত্রিক করা যায় এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা যায়, সে বিষয়ে উভয়পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সহায়তার বর্তমান রূপরেখা নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক জানান, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয়াদি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এসময় যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সমর্থন অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ কীভাবে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।ভবিষ্যতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষে নিয়মিত আলোচনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করে সহজীকরণের বিষয়েও উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের এই অংশীদারিত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। দুই দেশের এই ক্রমবর্ধমান সমন্বয় জনবল ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
সম্পাদক : ডা. সেলিম রেজা
কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ